Sie sind auf Seite 1von 38

Bangla Literature and Art(BLA101)

Contemporary Bangla Poetry:


Gholam Mostafa, Jasimuddin,Abdul Qadir,Sufia Kamal,
Farrukh Ahmed, Ahsan Habib, Sikandar Abu Jafar, Syed Ali
Ahsan, Shamsur Rahman, Hasn Hafizur Rahman, Fazal
Shahabuddin, Al-Mahmud,Shahid Quadri…..
Golam Mostofa (1897 – 13 October 1964)
Golam Mostofa (1897 – 13 October 1964) was a Bengali writer and poet.
He was the secretary of the East Bengal Government’s Language Reform Committee,
formed in 1949. He believed in the two-nation theory that formed the basis for the
ideals of Pakistan and, during the Language Movement in 1952, supported Urdu as the
only state language of Pakistan.[citation needed] Islamic heritage was one of his inspirations.
His book Biswanabi (1942), a biography based on the life of the Islamic prophet
Muhammad, provided him with wide recognition.[2]
Poetry

Roktorag (1924) Tarana-E-Pakistan


Hasnahena (1938) Bulbulistan
Khosroj (1929) Prarthona
Sahara
Gulistan
Bani Adam
Kabbo Kahini
Sahara
https://banglarkobita.com/poet/famous_list
Golam Mostafa
Biography Bishwanabi (1942)
Novels
Ruper Nesha
Vangabuk
Others Islam O Communism
Maru Dulal
Islam O Zihad
Amar Chintadhara
Translations Musaddas-E-Hali
Kalam-E-Iqbal
Shiqwa O Jawab-E-Shiqwa
Al Quran
Joy Porajoy (Ekhwanus Safa)
Awards
Sitara-i-Imtiaz and President Medal
https://en.wikipedia.org/wiki/Golam_Mostofa_(poet)
প্রার্থনা
সরল সঠিক পূণ্য পন্থা 
অনন্ত অসীম প্রেমময় তু মি  • মোদের দাও গো বলি, 
• বিচার দিনের স্বামী।  • চালাও সে-পথে যে-পথে তোমার 
• যত গুণগান হে চির মহান  • প্রিয়জন গেছে চলি।
• তোমারি অন্তর্যামী।
যে-পথে তোমার চির-অভিশাপ 
দ্যুলোক-ভূ লোক সবারে ছাড়িয়া  • যে-পথে ভ্রান্তি, চির-পরিতাপ 
• তোমারি চরণে পড়ি লুটাইয়া  • হে মহাচালক,মোদের কখনও 
• করো না সে পথগামী।
• তোমারি সকাশে যাচি হে শকতি 
• তোমারি করুণাকামী। • https://www.youtube.com/w
atch?v=Hv_VynTMg4g
•  
Jasimuddin (1 January 1903 – 13 March 1976)

Jasimuddin sobriquet Palli Kabi, was a Bangladeshi poet, songwriter,


prose writer, folklore collector and radio personality.
Jasimuddin started writing poems at an early age. As a college student, he
wrote the celebrated poem Kabar (The Grave), a simple tone to obtain family-
religion and tragedy. The poem was placed in the entrance Bengali textbook
while he was still a student of Calcutta University.
Jasimuddin is noted for his depiction of rural life and nature from the
viewpoint of rural people. This had earned the title as Palli Kabi (the rural
poet). The structure and content of his poetry bears a strong flavor of Bengal
folklore. His Nokshi Kanthar Maath (Field of the Embroidered Quilt) is
considered a masterpiece and has been translated into many different
languages.
Jasimuddin
• Poetry
• Rakhali (1927)
• NakshiÑ Kanthar Maath (1929)
• Baluchor (1930)
• Dhankhet(1933)
• Sojan Badiyar Ghat (1934)
• Rangila Nayer Majhi (1935)
• Hashu (1938)
• Rupobati (1946)
• Matir Kanna (1951)
• Sakina (1959)
Jasimuddin
• Poetry
• Suchayani (1961)
• Ma je Jononi Kande(1963)
• Holud Boroni (1966)
• Jole Lekhon (1969)
• Padma Nadir Deshe (1969)
• Beder Meye (1951)
• Bhayabaha Sei Dingulite (1972)
• Kafoner Michil (1978)
• Maharom
• Dumokho Chand Pahari (1987)

• https://en.wikipedia.org/wiki/Jasimuddin
• আমারে ছাড়িয়া এত ব্যথা যার কেমন করিয়া হায়,

কবর
কবর দেশেতে ঘুমায়ে রয়েছে নিঝঝু ম নিরালায়!
হাত জোড় করে দোয়া মাঙ দাদু, আয় খোদা! দয়াময়,
• এই খানে তোর দাদির কবর ডালিম-গাছের তলে, আমার দাদীর তরেতে যেন গো ভেস্ত নসিব হয়।
তিরিশ বছর ভিজায়ে রেখেছি দুই নয়নের জলে। • তারপর এই শূন্য জীবনে যত কাটিয়াছি পাড়ি
এতটু কু তারে ঘরে এনেছিনু সোনার মতন মুখ, যেখানে যাহারে জড়ায়ে ধরেছি সেই চলে গেছে ছাড়ি।
পুতু লের বিয়ে ভেঙে গেল বলে কেঁ দে ভাসাইত বুক। শত কাফনের, শত কবরের অঙ্ক হৃদয়ে আঁকি,
এখানে ওখানে ঘুরিয়া ফিরিতে ভেবে হইতাম সারা, গণিয়া গণিয়া ভু ল করে গণি সারা দিনরাত জাগি।
সারা বাড়ি ভরি এত সোনা মোর ছড়াইয়া দিল কারা! এই মোর হাতে কোদাল ধরিয়া কঠিন মাটির তলে,
সোনালি ঊষার সোনামুখ তার আমার নয়নে ভরি গাড়িয়া দিয়াছি কত সোনামুখ নাওয়ায়ে চোখের জলে।
লাঙল লইয়া খেতে ছুটিলাম গাঁয়ের ও-পথ ধরি। মাটিরে আমি যে বড় ভালবাসি, মাটিতে মিশায়ে বুক,
যাইবার কালে ফিরে ফিরে তারে দেখে লইতাম কত আয়-আয় দাদু, গলাগলি ধরি কেঁ দে যদি হয় সুখ।
এ কথা লইয়া ভাবি-সাব মোরে তামাশা করিত শত। • এইখানে তোর বাপজি ঘুমায়, এইখানে তোর মা,
এমনি করিয়া জানি না কখন জীবনের সাথে মিশে কাঁদছিস তু ই? কী করিব দাদু! পরাণ যে মানে না।
ছোট-খাট তার হাসি ব্যথা মাঝে হারা হয়ে গেনু দিশে। সেই ফালগুনে বাপ তোর এসে কহিল আমারে ডাকি,
• বাপের বাড়িতে যাইবার কাল কহিত ধরিয়া পা বা-জান, আমার শরীর আজিকে কী যে করে থাকি থাকি।
আমারে দেখিতে যাইও কিন্তু উজান-তলীর গাঁ। ঘরের মেঝেতে সপটি বিছায়ে কহিলাম বাছা শোও,
শাপলার হাটে তরমুজ বেচি পয়সা করি দেড়ী, সেই শোওয়া তার শেষ শোওয়া হবে তাহা কী জানিত
পুঁতির মালার একছড়া নিতে কখনও হত না দেরি। কেউ?
দেড় পয়সার তামাক এবং মাজন লইয়া গাঁটে, গোরের কাফনে সাজায়ে তাহারে চলিলাম যবে বয়ে,
সন্ধাবেলায় ছুটে যাইতাম শ্বশুরবাড়ির বাটে! তু মি যে কহিলা বা-জানরে মোর কোথা যাও দাদু লয়ে?
হেস না­হেস না­শোন দাদু, সেই তামাক মাজন পেয়ে, তোমার কথার উত্তর দিতে কথা থেমে গেল মুখে,
দাদি যে তোমার কত খুশি হত দেখিতিস যদি চেয়ে! সারা দুনিয়ার যত ভাষা আছে কেঁ দে ফিরে গেল দুখে!
নথ নেড়ে নেড়ে কহিত হাসিয়া, এতদিন পরে এলে, • তোমার বাপের লাঙল-জোয়াল দুহাতে জঢ়ায়ে ধরি,
পথ পানে চেয়ে আমি যে হেথায় কেঁ দে মরি আঁখিজলে। তোমার মায়ে যে কতই কাঁদিতে সারা দিনমান ভরি।
গাছের পাতার সেই বেদনায় বুনো পথে যেতো ঝরে,
ফালগুনী হাওয়া কাঁদিয়া উঠিত শুনো-মাঠখানি ভরে।
পথ দিয়া যেতে গেঁয়ো পথিকেরা মুছিয়া যাইত চোখ,
চরণে তাদের কাঁদিয়া উঠিত গাছের পাতার শোক।
কবর
• সেই সোনামুখ মলিন হয়েছে ফোটে না সেথায় হাসি,
কালো দুটি চোখে রহিয়া রহিয়া অশ্রু উঠিছে ভাসি।
বাপের মায়ের কবরে বসিয়া কাঁদিয়া কাটাত দিন,
• আথালে দুইটি জোয়ান বলদ সারা মাঠ পানে চাহি, কে জানিত হায়, তাহারও পরাণে বাজিবে মরণ­বীণ!
হাম্বা রবেতে বুক ফাটাইত নয়নের জলে নাহি। কী জানি পচানো জ্বরেতে ধরিল আর উঠিল না ফিরে,
গলাটি তাদের জড়ায়ে ধরিয়া কাঁদিত তোমার মা, এইখানে তারে কবর দিয়েছি দেখে যাও দাদু! ধীরে।
চোখের জলের গহীন সায়রে ডু বায়ে সকল গাঁ। • ব্যথাতু রা সেই হতভাগিনীরে বাসে নাই কেহ ভালো,
• ঊদাসিনী সেই পল্লী-বালার নয়নের জল বুঝি, কবরে তাহার জড়ায়ে রয়েছে বুনো ঘাসগুলি কালো।
কবর দেশের আন্ধারে ঘরে পথ পেয়েছিল খুজি। বনের ঘুঘুরা উহু উহু করি কেঁ দে মরে রাতদিন,
তাই জীবনের প্রথম বেলায় ডাকিয়া আনিল সাঁঝ, পাতায় পাতায় কেঁ পে উঠে যেন তারি বেদনার বীণ।
হায় অভাগিনী আপনি পরিল মরণ-বিষের তাজ। হাত জোড় করে দোয়া মাঙ দাদু, আয় খোদা! দয়াময়।
মরিবার কালে তোরে কাছে ডেকে কহিল, বাছারে যাই, আমার বু­জীর তরেতে যেন গো বেস্ত নসিব হয়।
বড় ব্যথা র’ল, দুনিয়াতে তোর মা বলিতে কেহ নাই; • হেথায় ঘুমায় তোর ছোট ফু পু, সাত বছরের মেয়ে,
দুলাল আমার, যাদুরে আমার, লক্ষী আমার ওরে, রামধনু বুঝি নেমে এসেছিল ভেস্তের দ্বার বেয়ে।
কত ব্যথা মোর আমি জানি বাছা ছাড়িয়া যাইতে তোরে। ছোট বয়সেই মায়েরে হারায়ে কী জানি ভাবিত সদা,
ফোঁটায় ফোঁটায় দুইটি গন্ড ভিজায়ে নয়ন­জলে, অতটু কু বুকে লুকাইয়াছিল কে জানিত কত ব্যথা!
কী জানি আশিস করে গেল তোরে মরণ­ব্যথার ছলে। ফু লের মতন মুখখানি তার দেখিতাম যবে চেয়ে,
• ক্ষণপরে মোরে ডাকিয়া কহিল­আমার কবর গায় তোমার দাদির ছবিখানি মোর হদয়ে উঠিত ছেয়ে।
স্বামীর মাথার মাথালখানিরে ঝু লাইয়া দিও বায়। বুকেতে তাহারে জড়ায়ে ধরিয়া কেঁ দে হইতাম সারা,
সেই যে মাথাল পচিয়া গলিয়া মিশেছে মাটির সনে, রঙিন সাঁঝেরে ধুয়ে মুছে দিত মোদের চোখের ধারা।
পরাণের ব্যথা মরে নাকো সে যে কেঁ দে ওঠে ক্ষণে ক্ষণে। • একদিন গেনু গজনার হাটে তাহারে রাখিয়া ঘরে,
জোড়মানিকেরা ঘুমায়ে রয়েছে এইখানে তরু­ছায়, ফিরে এসে দেখি সোনার প্রতিমা লুটায় পথের পরে।
গাছের শাখারা স্নেহের মায়ায় লুটায়ে পড়েছে গায়। সেই সোনামুখ গোলগাল হাত সকলি তেমন আছে।
জোনকি­মেয়েরা সারারাত জাগি জ্বালাইয়া দেয় আলো, কী জানি সাপের দংশন পেয়ে মা আমার চলে গেছে।
ঝিঁঝিরা বাজায় ঘুমের নূপুর কত যেন বেসে ভালো। আপন হস্তে সোনার প্রতিমা কবরে দিলাম গাড়ি,
হাত জোড় করে দোয়া মাঙ দাদু, রহমান খোদা! আয়; দাদু! ধর­ধর­বুক ফেটে যায়, আর বুঝি নাহি পারি।
ভেস্ত নসিব করিও আজিকে আমার বাপ ও মায়! এইখানে এই কবরের পাশে আরও কাছে আয় দাদু,
• এখানে তোর বুজির কবর, পরীর মতন মেয়ে, কথা কস নাকো, জাগিয়া উটিবে ঘুম­ভোলা মোর যাদু।
বিয়ে দিয়েছিনু কাজিদের বাড়ি বনিয়াদি ঘর পেয়ে। আস্তে আস্তে খুঁড়ে দেখ দেখি কঠিন মাটির তলে,
এত আদরের বুজিরে তাহারা ভালবাসিত না মোটে, • ওই দূর বনে সন্ধ্যা নামিয়ে ঘন আবিরের রাগে,
হাতেতে যদিও না মারিত তারে শত যে মারিত ঠোঁটে। অমনি করিয়া লুটায়ে পড়িতে বড় সাধ আজ জাগে।
খবরের পর খবর পাঠাত, দাদু যেন কাল এসে মজিদ হইতে আযান হাঁকিছে বড় সুকরুণ সুরে,
দুদিনের তরে নিয়ে যায় মোরে বাপের বাড়ির দেশে। মোর জীবনের রোজকেয়ামত ভাবিতেছি কত দূরে।
শ্বশুর তাহার কশাই চামার, চাহে কি ছাড়িয়া দিতে জোড়হাত দাদু মোনাজাত কর, আয় খোদা! রহমান।
অনেক কহিয়া সেবার তাহারে আনিলাম এক শীতে। ভেস্ত নসিব করিও সকল মৃত্যু­ব্যথিত প্রাণ।
Abdul Quadir

• Abdul Quadir (1 June 1906 – 19 December 1984) was a


Bangladeshi poet, essayist, and journalist.[1] He was awarded
Ekushey Padak in 1976 by the Government of Bangladesh.
• Works
• Dilruba (1933) ---- Bangla Academy Literary Award (1963)
• Uttar Basanta (1967) ------Adamjee Literary Award (1967)
• Kavi Nazrul (1970)--------------------- Ekushey Padak (1976)
• Kazi Abdul Wadud (1976)-Nazrul Academy Gold Medal (1977)
• Yugakavi Nazrul (1986)
• Chhanda Samiksan (1979)
• Bangla Chhander Itibrtta (1985)
মানুষের সেবা

• আমি চেয়েছিনু ক্ষু ধায় অন্ন, তু মি কর নাই দান। 


• হাশরের দিন বলিবেন খোদা- হে আদম সন্তান  মানুষ বলিবে- তু মি জগতের প্রভু , 
তু মি মোরে সেবা কর নাই যবে ছিনু রোগে আমরা কেমনে খাওয়াব তোমারে, সে কাজ কি হয়
অজ্ঞান।  কভু ? 
মানুষ বলিবে - তু মি প্রভু করতার,  বলিবেন খোদা- ক্ষু ধিত বান্দা গিয়েছিল তব দ্বারে, 
আমরা কেমনে লইব তোমার পরিচর্যার ভার?  মোর কাছে তু মি ফিরে পেতে তাহা যদি খাওয়াইতে
বলিবেন খোদা- দেখনি মানুষ কেঁ দেছে রোগের তারে। 
ঘোরে,  পুনরপি খোদা বলিবেন- শোন হে আদম সন্তান, 
তারি শুশ্রূষা করিলে তু মি যে সেথায় পাইতে পিপাসিত হয়ে গিয়েছিনু আমি, করাও নি জল
মোরে।  পান। 
খোদা বলিবেন- হে আদম সন্তান,  মানুষ বলিবে- তু মি জগতের স্বামী, 
তোমারে কেমনে পিয়াইব বারি, অধম বান্দা
আমি? 
বলিবেন খোদা- তৃ ষ্ণার্ত তোমা ডেকেছিল জল
আশে, 
তারে যদি জল দিতে তু মি তাহা পাইতে আমায়
পাশে।
Sufia Kamal

• Begum Sufia Kamal (Bengali: সুফিয়া কামাল; 20 June


1911 – 20 November 1999) was a Bengali poet (born
in present-day Bangladesh) and political activist.
Kamal was an influential cultural icon in the Bengali
nationalist movement of the 1950s and 60s and an
important civil society leader in independent
Bangladesh. She died in 1999 and was the first
woman to be given a state funeral in the country.[1]

• https://en.wikipedia.org/wiki/Sufia_Kamal
Sufia Kamal
• A short story Shainik Bodhu which she wrote was published in a local
paper in 1923.[2] Her literary career took off after her first poetry
publication. Her first book of poems, Sanjher Maya (Evening
Enchantment), came out in 1938, bearing a foreword from Kazi Nazrul
Islam and attracting praise from Rabindranath Tagore. Sanjher Maya was
translated into Russian language as Санжер Майя улу Суфия Камал in
1984.
• In 1937 she published her first collection of short stories, Keyar Kanta
(Thorns of the Keya Tree).
• Though she called herself a romantic poet, her work more and more
reflected the struggles to preserve the Bengali language and culture and to
fight Pakistani rulers.
• Mrttikar Ghran (The Fragrance of Earth)
• Ekattarer Diary (Diary of '71)
• Benibinyas Samay To Ar Nei (No More Time for Braiding Your Hair)
• Ekale Amader Kal (In This Time, Our Time)
আজিকার শিশু

• আমাদের যুগে আমরা যখন খেলেছি পুতু ল খেলা 


তোমরা এ যুগে সেই বয়সেই লেখাপড়া কর মেল। 
আমরা যখন আকাশের তলে ওড়ায়েছি শুধু ঘুড়ি 
তোমরা এখন কলের জাহাজ চালাও গগন জুড়ি। 
উত্তর মেরু, দক্ষিণ মেরু সব তোমাদের জানা 
আমরা শুনেছি সেখানে রয়েছে জিন ,পরী, দেও, দানা। 
পাতালপুরীর অজানা কাহিনী তোমরা শোনাও সবে 
মেরুতে মেরুতে জানা পরিচয় কেমন করিয়া হবে। 
তোমাদের ঘরে আলোর অভাব কভূ নাহি হবে আর 
আকাশ-আলোক বাঁধি আনি দূর করিবে অন্ধকার। 
শস্য-শ্যামলা এই মাটি মা'র অঙ্গ পুষ্ট করে 
আনিবে অটু ট স্বাস্থ্য, সবল দেহ-মন ঘরে ঘরে। 
তোমাদের গানে, কল-কলতানে উছসি উঠিবে নদী- 
সরস করিয়া তৃ ণ ও তরুরে বহিবে সে নিরবধি 
তোমরা আনিবে ফু ল ও ফসল পাখি-ডাকা রাঙা ভোর 
জগৎ করিবে মধুময়, প্রাণে প্রাণে বাঁধি প্রীতিডোর। 
Farrukh Ahmad

• Farrukh Ahmad (10 June 1918 – 19 October 1974) was a poet


and writer of Bangladesh. He is commonly known as the 'Poet of
the Muslim renaissance', as many of his poems embody the
spirit of resurrection, particularly in the hearts of the down-
trodden Muslims of the then Bengal.
• Farrukh Ahmad had been attracted to the radical humanism of
Manabendra Nath Roy and had participated in leftist politics.
From the forties, however, he supported the Pakistan movement
to have an independent Muslim state created within the region
of South Asia from the British Indian empire. Despite his
Pakistani and Islamic ideals, he supported the
Language Movement in 1952 and, later, the liberation war of
Bangladesh
Farrukh Ahmad

• Sat Sagorer Majhi (The Sailor of the seven seas),


December, 1944
• Sirazam Munira (September, 1952)
• Naufel O Hatem (June, 1961)
• Muhurter Kabita (A moment's poem), September, 1963
• Dholai kabbo (), January, 1963
• Hatemtayi (May, 1966)
• Habida Marur Kahini (September, 1981)
• Kafela (August, 1980)
• Sindabad (October, 1983)
• Dilruba (February, 1994)
Farrukh Ahmad

• Books for children


• Pakhir Basa (The Nest of Bird)(1965)
• Harafer Chhada (1970)
• Chharar Asar (1970)
• Fuler Jolsha (December, 1985)
• Chiriya Khana(1980)
• Awards
• Bangla Academy Literary Award (1960) President's Award
for Pride of Performance (1961) Adamjee Literary Award
(1966) UNESCO Prize (1966) Ekushey Padak (posthumously,
1977) Independence Day Award (posthumously, 1980

পথহারা এই দরিয়া- সোঁতারা ঘুরে 
পাঞ্জেরি চলেছি কোথায়? কোন সীমাহীন দূরে?
তু মি মাস্তুলে, আমি দাঁড় টানি ভু লে; 
একাকী রাতের ম্লান জুলমাত হেরি!
• রাত পোহাবার কত দেরি পাঞ্জেরি?  • রাত পোহাবার কত দেরি পাঞ্জেরি?
এখনো তোমার আসমান ভরা মেঘে?  শুধু গাফলতে শুধু খেয়ালের ভু লে, 
সেতারা, হেলাল এখনো ওঠেনি জেগে?  দরিয়া- অথই ভ্রান্তি- নিয়াছি ভু লে, 
তু মি মাস্তলে, আমি দাঁড় টানি ভু লে;  আমাদেরি ভু লে পানির কিনারে মুসাফির দল বসি 
অসীম কু য়াশা জাগে শূন্যতা ঘেরি। দেখেছে সভয়ে অস্ত গিয়াছে তাদের সেতারা, শশী। 
• রাত পোহাবার কত দেরি পাঞ্জেরি?  মোদের খেলায় ধুলায় লুটায়ে পড়ি। 
দীঘল রাতের শ্রান্তসফর শেষে  কেটেছে তাদের দুর্ভাগ্যের বিস্বাদ শর্বরী। 
কোন দরিয়ার কালো দিগন্তে আমরা পড়েছি এসে?  সওদাগরের দল মাঝে মোরা ওঠায়েছি আহাজারি, 
এ কী ঘন-সিয়া জিন্দেগানীর বা’ব  ঘরে ঘরে ওঠে ক্রন্দনধ্বনি আওয়াজ শুনছি তারি। 
তোলে মর্সিয়া ব্যথিত দিলের তু ফান-শ্রান্ত খা’ব  ওকি বাতাসের হাহাকার,- ও কি 
অস্ফু ট হয়ে ক্রমে ডু বে যায় জীবনের জয়ভেরী।  রোনাজারি ক্ষু ধিতের! 
তু মি মাস্তুলে, আমি দাঁড় টানি ভু লে;  ও কি দরিয়ার গর্জ ন,- ও কি বেদনা মজলুমের! 
সম্মুখে শুধু অসীম কু য়াশা হেরি। ও কি ধাতু র পাঁজরায় বাজে মৃত্যুর জয়ভেরী।
• রাত পোহাবার কত দেরি পাঞ্জেরি?  • পাঞ্জেরি! 
বন্দরে বসে যাত্রীরা দিন গোনে,  জাগো বন্দরে কৈফিয়তের তীব্র ভ্রুকু টি হেরি, 
বুঝি মৌসুমী হাওয়ায় মোদের জাহাজের ধ্বনি শোনে, জাগো অগণন ক্ষু ধিত মুখের নীরব ভ্রুকু টি হেরি! 
বুঝি কু য়াশায়, জোছনা- মায়ায় জাহাজের পাল দেখে।  দেখ চেয়ে দেখ সূর্য ওঠার কত দেরি, কত দেরি!
আহা, পেরেশান মুসাফির দল।
দরিয়া কিনারে জাগে তক্দিরে 
নিরাশায় ছবি এঁকে!
Ahsan Habib

• Ahsan Habib (2 February 1917 – 10 July 1985) was a Bangladeshi poet and literary
figure in Bengali culture.
• Poems
• Ratri Shesh.
• Chhaya Horin (1962)
• Shara Dupur (1964)
• Ashay Boshoty (1974)
• Megh Bole Choitrey Jabo (1976)
• Duhate Dui Adim Pathar (1980)
• For children
• Josna Rater Golpo
• Brsti Pare Tapur Tupur (1977)
• Chutir Din Dupure (1978)
• Novels
• Ranee Khaler Shako (for teenagers)
• Aronno Neelima
• Zafrani Rong Payra
আমি কোন আগন্তুক নই
• ‘আসমানের তারা সাক্ষী

সাক্ষী এই জমিনের ফু ল, এই

নিশিরাইত বাঁশবাগানের বিস্তর জোনাকি সাক্ষী

পুবের পুকু র, তার ঝাঁকড়া ডু মুরের ডালে স্থির দৃষ্টি

মাছরাঙা আমাকে চেনে

আমি কোন অভ্যাগত নই

খোদার কসম আমি ভীনদেশী পথিক নই

আমি কোন আগন্তুক নই।

আমি কোন আগন্তুক নই, আমি

ছিলাম এখানে, আমি স্বাপ্নিক নিয়মে

এখানে থাকি আর

্এখানে থাকার নাম, সর্বত্রই থাকা-

সারদেশে।
• https://www.youtube.com/watch?v=lon4aVTA0-E
Sikandar Abu Zafar
• Sikandar Abu Zafar (19 March 1919 – 5 July 1975) was a Bangladeshi journalist and poet.
• Although he is chiefly remembered as a poet, he was also proficient in prose.
His translated works include Yadur Kalas (Magical pitcher, 1959), Rubayyat: Omar Khayyam
(Quatrains of Omar Khayyam, 1966), etc.

Novels

Purabi (a certain musical note, 1941), Natun Sakal (New dawn, 1946).

Short Stories

Mati ar Ashru (Soil and tears, 1942)

Collection of Poems

Prasanna Shahar (Cheerful city, 1965), Timirantik (At the end of darkness, 1965), Bairi Brstite
(In the pelting rain, 1965), Brshchik-Lagna (The scorpion-time, 1971), Bangla Chado (Leave
Bengal, 1971), The plays, Siraj-ud-Daula (1965) and Mahakabi Alaul (1966).

Collection of Songs

Malava Kaushik (1966).


https://www.youtube.com/watch?v=rh_ziXCok
_E
Shamsur Rahman

• Shamsur Rahman (23 October 1929 – 17 August


2006) was a Bangladeshi poet, columnist and
journalist. Rahman, who emerged in the latter half of
the 20th century, wrote more than sixty books of
poetry and is considered a key figure in
Bengali literature. He was regarded as the unofficial
poet laureate of Bangladesh. Major themes in his
poetry and writings include liberal humanism, human
relations, romanticised rebellion of youth, the
emergence of and consequent events in Bangladesh,
and opposition to religious fundamentalism
Shamsur Rahman

• Poetry
• Prothom Gan Ditio Mrittur Age (1960)
• Roudro Korotite (1963)
• Biddhosto Nilima (1967)
• Niralokay Dibboroth (1968)
• Neej Bashbhumay (1970)
• Bondi Shibir Theke (1972)
• Dusshom
• Tableay Applegulo Heshe Othay (1986)
• Obirol Jolahromi (1986)
• Amra Kojon Shongi (1986)
• Jhorna Amar Angulay (1987)
• Shopnera Dukray Othay Barbar (1987)
• Khub Beshi Valo Thakte Nei (1987)
• Moncher Majhkhanay (1988)
• Buk Tar Bangladesher Hridoy (1988)
• Matal Hrittik
Shamsur Rahman

• Poetry
• Hridoy Amar Prithibir Alo (1989)
• Shay Ak Porobashay(1990) Grihojudder Agae(1990)
Khondito Gourob(1992) Dhongsher Kinare Bashay(1992)
Akash Ashbe Neme(1994)
• Uzar Baganay(1995) Asho Kokil Asho Shornochapa Manob
Hridoy Naibeddo Shajai Hemonto Shondhay
Kichukal(1997) Chayagoner Shonge Kichukkhon Meghlokay
Monoz(1998) Shoundorjo Amar Ghore(1998) Ruper
Probale Dogdho Shondha(1998) Tukro Kichu Shonglaper
Shako(1998) Shopno O Dushshopnay Bachay Achi(1999)
Shamsur Rahman

• Poetry
• Nokkhotro Bajate Bajate(2000) Shuni Hridoyer
Dhoni(2000) Hridopodmay Jotsna Dolay(2001)
Bhognostupay Golaper Hashi(2002) Bhangachora
Chand Mukh Kalo Kore Dhukchay(2003) Ak Phota
kemon Onol(1986) Horiner Har(1993) Gontobbo Nai
Ba Thakuk(2004) Krishnopokkhay Purnimar
Dikay(2004) Gorostanay Kokiler Korun
Aaobhan(2005) Andhokar Theke Aloy(2006) Na
Bastob Na Dushshopno(2006)
Hasan Hafizur Rahman

• Hasan Hafizur Rahman (1932–1983) became the


editor of the Daily Bangla right after the
Bangladesh Liberation War in 1971. He also worked
for the government as a high official and edited an
account of the independence struggle called The
Liberation War of Bangladesh, which was published
in sixteen volumes. He was the author of thirteen
books including eight collections of poetry and
Adhunik Kobi O Kobita (Modern Poets and Poetry), a
book of critical essays.
• https://www.rokomari.com/book/author/2045/%e0%a6%b9%e0%a6%be%e0%a6%b8%e0%a6%be%e0%a6%a8-%e0%a6%b
9%e0%a6%be%e0%a6%ab%e0%a6%bf%e0%a6%9c%e0%a7%81%e0%a6%b0-%e0%a6%b0%e0%a6%b9%e0%a6%ae%e0%a6
%be%e0%a6%a8
অবাক সূর্‍্যোদয়
• কিশোর তোমার দুই • কিশোর তোমার হাত দুটো উঁচু রাখো
হাতের তালুতে আকু ল সূর্যোদয় লোলিত পাপের আমূল রসনা ক্রু র
রক্তভীষণ মুখমণ্ডলে চমকায় বরাভয় । অগ্নিতে ঢাক ।
বুকের অধীর ফিনকির ক্ষু রধার
শহীদের খুন লেগে রক্তের খরতানে
কিশোর তোমার দুই হাতে দুই জাগাও পাবক প্রাণ
সূর্য উঠেছে জেগে । কণ্ঠে কাটাও নিষ্ঠু রতম গান
মানুষের হাতে অবাক সূর্যোদয়, যাক পুড়ে যাক আপামর পশু
যায় পুড়ে যায় মর্ত্যের অমানিশা
শঙ্কার সংশয় । মনুষ্যত্বের ধিক্ অপমান
• কিশোর তোমার হাত দুটো উঁচু রাখো কিশোর তোমার হাত দুটো উঁচু রাখো
প্রবল অহংকারে সূর্যের সাথে কু হেলী পোড়ানো মিছিলের হুতাশনে
অভিন্ন দেখ অমিত অযুত লাখ । লাখ অযুতকে ডাক ।
সারা শহরের মুখ
তোমার হাতের দিকে
• কিশোর তোমার দুই
ভয়হারা কোটি অপলক চোখ একাকার হল হাতের তালুতে আকূ ল সূর্যোদয়
সূর্যের অনিমিখে । রক্তশোধিত মুখমণ্ডলে চমকাক্
বরাভয় ।
Fazal Shahabuddin

• Fazal Shahabuddin (4 February 1936 – 9 February


2014) was a Bangladeshi poet and journalist.[1] He
was awarded Bangla Academy Literary Award in 1973
and Ekushey Padak in 1988.
ফজল শাহাবুদ্দিন
• • বিধাতার দিকে
ঘনিষ্ঠ উচ্চারণ
শাদা কালো কতো মেঘ উড়িতেছে রাত্রির আকাশে 
দেখিলাম অনন্তের প্রান্তঘেঁষে ছায়াচ্ছন্ন
মধ্যাহ্নের কাছে সায়াহ্নের কাছে রাত্রির শরীরে  বাতাসে বাতাসে
বৃক্ষের সবুজে পক্ষীর উড়ালে জলে নদীতীরে  উড়িতেছে পাখিরাও
আলোতে আঁধারে কতো পাখি জানা ও অজানা কালো চোখ একাকি উধাও
মেলিয়া দিয়াছে ডানা
আদি থেকে অন্তে বারে বারে যেন ক্রমাগত উড়িতে উড়িতে পার হয়ে যাবে 
একটি ঘনিষ্ঠ উচ্চারণ প্রকৃ তির সকল সীমানা
যেনো কোনো বিষণ্ন নির্জ ন যেন রক্তাপ্লুত একটানা উড়িতে থাকিবে চিরকাল
একা একা বাঁশি জীবনে মরণের যত সন্ধ্যা ও সকাল
অতিক্রম ক’রে যাবে ছিন্নভিন্ন উড়িয়া উড়িয়া 
রক্ত জুড়ে মাংস জুড়ে অস্থি  জুড়ে বাজে দুঃখ ও আনন্দ যত বিধাতার দিকে সব
বলে ভালোবাসি একা একা দিবে সে ছুড়িয়া 
বলে ভালোবাসা আছে তাই বেঁচে আছি দেখিলাম সবকিছু উড়িতেছে অন্ধকার
আছে কাছাকাছি বিধাতার দিকে। তু মি আমি 
পাখিরা মেঘেরা, আমাদের রক্তে আছে
অন্তর্গত সব হাহাকার
সর্বগ্রাসী সেই অন্তর্যামী।
আছে জীবনে ধ্বনি প্রতিধ্বনি এবং সংহার।
Al Mahmud

• Mir Abdus Shukur Al Mahmud (known as Al


Mahmud; born 11 July 1936) is a Bangladeshi poet,
novelist, and short-story writer. He is considered one
of the greatest Bengali poets to have emerged in the
20th century.[1] His work in Bengali poetry is
dominated by his frequent use of regional dialects.[2]
In the 1950s he was among those Bengali poets who
were outspoken in their writing on such subjects as
the events of the Bengali Language Movement,
nationalism, political and economical repression, and
the struggle against the West Pakistani government.
Al Mahmud

• Lok Lokantor (1963) Kaler Kalos (1966) Shonali Kabin


(1966) Mayabi Porda Dule Otho (1976) Arobbo
Rojonir Rajhash (The Goose of Arabian Nights)
Bokhtiyarer Ghora (The Horse of Bakhtiyar) Dinjapon
(Passing Days) Ditiyo Bhangon (Second Collapse)
• Ekti Pakhi Lej Jhola Golpshomogro Jebhabe Gore Uthi
Kishor Shomogro Kobir Atmobisshash (The
Confidence of Poet) Kobita Somogro- 1, 2
Al Mahmud

• Pankourir Rakta (1975) (Blood of Little cormorant)


Na Kono Shunnota Mani Na Nodir Bhitorer Nodi
(River Inside River) Pakhir Kache, Phooler Kache (To
Birds, To Flowers) Prem O Bhalobashar Kobita
(Poems of Love and Romance) Prem Prokritir Droho
Ar Prarthonar Kobita (Poems of Love and Prayer)
Premer Kobita Somogro Upomohadesh (The
Continent) Upanyas Somogro- 1, 2, 3 Trishera
আল মাহমুদ
• শেষ ট্রেন ধরবো বলে এক রকম ছু টতে ছুটতে স্টেশনে পৌঁছে দেখি
নীলবর্ণ আলোর সংকেত। হতাশার মতোন হঠাৎ
দারুণ হুইসেল দিয়ে গাড়ি ছেড়ে দিয়েছে।
যাদের সাথে শহরে যাবার কথা ছিল তাদের উকণ্ঠিত
ৎমুখ
জানালায় উবুড় হয়ে আমাকে দেখছে। হাত নেড়ে সান্ত্বনা দিচ্ছে।
আসার সময় আব্বা তাড়া দিয়েছিলেন, গোছাতে গোছাতেই
তোর সময় বয়ে যাবে, তু ই আবার গাড়ি পাবি।
আম্মা বলছিলেন, আজ রাত না হয় বই নিয়েই বসে থাক
কত রাত তো অমনি থাকিস।
• ঈদের দিনে জিদ ধরি না আর আমার ঘুম পেলো। এক নিঃস্বপ্ন নিদ্রায় আমি
কানে আমার বাজে না সেই নিহত হয়ে থাকলাম।
অথচ জাহানারা কোনদিন ট্রেন ফেল করে না। ফরহাদ
মায়ের অলঙ্কার। আধ ঘণ্টা আগেই স্টেশনে পৌঁছে যায়। লাইলী
কেউ বলে না খাও মালপত্র তু লে দিয়ে আগেই চাকরকে টিকিট কিনতে পাঠায়। নাহার
কোথাও যাওয়ার কথা থাকলে আনন্দে ভাত পর্যন্ত খেতে পারে না।
পাতের ভেতর ঠাণ্ডা হলো আর আমি এঁদের ভাই
কোর্মা ও পোলাও। • সাত মাইল হেঁটে শেষ রাতের গাড়ি হারিয়ে
এক অখ্যাত স্টেশনে কু য়াশায় কাঁপছি।
কোথায় যেন মন চলে যায় কু য়াশার শাদা পর্দা দোলাতে দোলাতে আবার আমি ঘরে ফিরবো।
মেঘের ওপর ভেসে শিশিরে আমার পাজামা ভিজে যাবে। চোখের পাতায়
শীতের বিন্দু জমতে জমতে নির্লজ্জের মতোন হঠাৎ
দুয়ার ধরে দাঁড়িয়ে আছে লাল সূর্য উঠে আসবে। পরাজিতের মতো আমার মুখের উপর রোদ
মাতৃ ছায়া এসে। নামলে, সামনে দেখবো পরিচিত নদী। ছড়ানোছিটানো
ঘরবাড়ি, গ্রাম। জলার দিকে বকের ঝাঁক উড়ে যাচ্ছে। তারপর
ছায়া কেবল ছায়া দারুণ ভয়ের মতো ভেসে উঠবে আমাদের আটচালা।
ছায়ার ভেতর বসত করে কলার ছোট বাগান।
দীর্ঘ পাতাগুলো না না করে কাঁপছে। বৈঠকখানা থেকে আব্বা
চিরকালের মায়া। একবার আমাকে দেখে নিয়ে মুখ নিচু করে পড়তে থাকবেন,
মায়ার মোহে মুগ্ধ আমি ফাবি আইয়ে আলা ই-রাব্বিকু মা তু কাজ্বিবান …।
বাসি বাসন হাতে আম্মা আমাকে দেখে হেসেফেলবেন।
• মায়ায় ডু বে থাকি ভালোই হলো তোর ফিরে আসা। তু ই না থাকলে
মায়ার ঘোরে বন্দী আমি • ঘরবাড়ি একেবারে কেমন শূন্য হয়ে যায়। হাত মুখ
ধুয়ে আয়। নাস্তা পাঠাই।
নিজকে বেঁধে রাখি॥ আর আমি মাকে জড়িয়ে ধরে আমার প্রত্যাবর্ত নের লজ্জাকে
ঘষে ঘষে
তু লে ফেলবো।
Shahid Quadri

• Shahid Quadri (also spelt Quaderi; 14 August 1942 —


28 August 2016) was a Bangladeshi poet and writer.[1]
For his poetry, he was awarded
Bangla Academy Literary Award in 1973 and Ekushey
Padak in 2011. His notable poems include
"Uttoradhikar", "Tomake Obhibadon Priyotoma",
"Kothao Kono Krondon Nei" and "Amar Chumbongulo
Poucchey Dao".[2]
• Contents
Shahid Quadri

• Uttaradhikar (Inheritance, 1967)


• Tomake Abhibadan Priyatama (Salute to You,
Dearest; 1974)
• Prem Biraha Bhalobasar Kabita (Poems of Love and
Separation)
• Kothayo Kono Krondon Nai (Weepings Nowhere)
• Amar Chombongullo Pouchhaya Deo (Please, Convey
my kisses)
সঙ্গতি
• বন্য শূকর খুঁজে পাবে প্রিয় কাদা • প্রেমিক মিলবে প্রেমিকার সাথে ঠিক-
মাছরাঙা পাবে অন্বেষণের মাছ, ই
কালো রাতগুলো বৃষ্টিতে হবে শাদা কিন্তু শান্তি পাবে না, পাবে না, পাবে
ঘন জঙ্গলে ময়ূর দেখাবে নাচ না…
প্রেমিক মিলবে প্রেমিকার সাথে ঠিক- ব্যারাকে-ব্যারাকে থামবে
ই কু চকাওয়াজ
কিন্তু শান্তি পাবে না, পাবে না, পাবে ক্ষু ধার্ত বাঘ পেয়ে যাবে নীলগাই,
না… গ্রামান্তরের বাতাস আনবে স্বাদু
একাকী পথিক ফিরে যাবে তার ঘরে আওয়াজ
শূন্য হাঁড়ির গহ্বরে অবিরত মেয়েলি গানের- তোমরা দু’জন
শাদা ভাত ঠিক উঠবেই ফু টে একঘরে পাবে ঠাঁই
তারাপুঞ্জের মতো, প্রেমিক মিলবে প্রেমিকার সাথে ঠিক-
পুরোনো গানের বিস্মৃত-কথা ফিরবে ই
তোমার স্বরে কিন্তু শান্তি পাবে না, পাবে না, পাবে
না…